শাহ নিমাতুল্লাহ ওয়ালি (র) ১৩৩০ সালে সিরিয়ার আলেপ্পোতে জন্মগ্রহণ করেন এবং প্রায় ১০০ বছর বয়সে ১৪৩১ সালে ইরানের মাহানে ইন্তেকাল করেন।
"শাহ নিমাতুল্লাহ নিজে একজন কৃষক ছিলেন এবং শিষ্যদের শিখিয়েছিলেন — নির্জনবাস নয়, সমাজের মধ্যে থেকে স্বাভাবিক পেশায় থেকেই আত্মশুদ্ধি সম্ভব।"
— নিমাতুল্লাহি তরিকার মূল শিক্ষা
প্রতিষ্ঠাতার পুত্র শাহ খলিলুল্লাহ ভারতে যান, ফলে প্রায় ৩৫০ বছর এই তরিকার কেন্দ্র ছিল ভারতেই। ১৮৬১ সালে তিনটি শাখায় বিভক্ত হয় — গোনাবাদি, সাফি আলী শাহি ও মুনাওয়ার আলী শাহি।
শাহ নিমাতুল্লাহ শিষ্যদের এমন পোশাক পরতে নিষেধ করতেন যা তাদের আলাদা করে চিহ্নিত করে — অন্তরের "রঙহীনতা"ই প্রকৃত আধ্যাত্মিকতা। তিনি নেশাজাতীয় দ্রব্যও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছিলেন।