দৈনিক জিকির ও তাসবিহ
প্রতিটি জিকির একটি নূরের বিন্দু — যা আত্মার অন্ধকার দূর করে আল্লাহর সান্নিধ্যে নিয়ে যায়।
আল্লাহ সকল ত্রুটি থেকে পবিত্র। প্রতিদিন ৩৩ বার পাঠে গুনাহ মাফ হয়।
সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য। মিযানের পাল্লা পূর্ণ করে।
আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ — আকাশ ও পৃথিবীর মাঝে যা কিছু আছে সব পূর্ণ করে।
সকল জিকিরের সেরা। আত্মাকে তাওহিদে সুদৃঢ় করে।
গুনাহের মরিচা পরিষ্কারের উপায়। নবীজি (ﷺ) দিনে ৭০-১০০ বার পাঠ করতেন। (সহীহ বুখারী)
একবার দরুদ পাঠে আল্লাহ ১০টি রহমত নাযিল করেন। (সহীহ মুসলিম)
আয়াতুল কুরসি — কুরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ আয়াত
اَللهُ لَآ إِلٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّوْمُ ۚ لَا تَأْخُذُهٗ سِنَةٌ وَّلَا نَوْمٌ ۚ لَهٗ مَا فِى السَّمٰوٰتِ وَمَا فِى الْاَرْضِ
উচ্চারণ: আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়ুম, লা তা'খুযুহু সিনাতুঁও ওয়ালা নাউম...
অর্থ: আল্লাহ, যিনি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব ও বিশ্বচরাচরের ধারক। তন্দ্রা বা নিদ্রা তাঁকে পাকড়াও করতে পারে না। (সূরা আল-বাকারা: ২৫৫)
হযরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন — "যে ব্যক্তি প্রতিটি ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করে, মৃত্যু ছাড়া আর কিছুই তাকে জান্নাতে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখতে পারে না।" (সুনানে নাসাঈ; ইবনে হিব্বান ও আল-আলবানী কর্তৃক সহীহ আখ্যায়িত)
আসমাউল হুসনা — আল্লাহর সুন্দর নামসমূহ